১) ” বিলম্বিত বিচারবিচার না পাওয়ার সমিন ” – আমরা বর্তমান এই ব্যাবস্থার পরিবর্তে নতুন বিচারপতি নিয়োগের মাধ্যমে রাজ্য তথা দেশব্যাপী বিচার ব্যবস্থার আমুল পরিবর্তন আনবো।

২) প্রত্যেক ব্লকে নিঃশুল্ক আইন পরামর্শ কেন্দ্র থাকবে , যেখান থেকে দুঃস্থ নাগরিকেরা আইনগত পরিসেবা পাবে। নাগরিকদের সাংবিধানিক এই অধিকার পেতে আমরা যথাযোগ্য সেচ্ছাসেবী নিয়োগ করব যারা এই মহান পরিসেবাতে নিয়োজিত থাকবে।

৩) অনলাইনে G.D, F.I.R অভিযোগের ব্যবস্থা করা হবে, প্রমাণ স্বরূপ একটি Receipt ও পাবে যাতে স্বীকৃতি নম্বার থাকবে। এবং এর জন্য নিয়োজিত তদন্তকারী অফিসার ঐ G.D/ F.I.R র যাবতীয় অভিযোগ অনলাইন বা পোষ্ট অফিসের মাধ্যমে জানাবেন।

৪) আমরা একটি আইন প্রস্তাব করব যাতে কোনো জয়ী জন প্রতিনিধি রাজনৈতিক দল স্হানান্তর করতে না পারে করন এটি ভোটদাতা দের বিশ্বাস ভঙ্গক প্রতারণার সামিল। যদি কোনো প্রার্থী এই ধরনের কার্যকিলাপ করে তবে তার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনত ব্যাবস্থা গ্রহণ হবে এবং পরবর্তী ১৫ বছর কোনো নির্বাচনে প্রতিনিধিত্ব রদ করা হবে।

৫) কোনো সাজা প্রাপ্ত ব্যক্তি নির্বাচনে প্রতিনিধিত্ব করা বা গুরুত্বপূর্ণ কোনো পদে আসীন করা হবে না।

৬) আমরা জনসাধারণকে জৈবিক চাষ এ উৎসাহিত করব এবং ক্ষতিকারক কীটনাশক, রাসায়নিক বর্জন করব।

৭) রাজ্য সরকারের কোষাগারের অর্থব্যাহুত কোনো জন কল্যাণ মূলক প্রকল্প শাসক দল তার নির্বাচনী প্রচার স্বার্থে বা জনগনকে প্রভাবিত করতে ঘোষনা করতে পারবে না, যদি এই ধারনের কাজ কর তবে শাসক দলের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনত ব্যাবস্থা তথা ফৌজদারী মামলা দায়ের করা হবে।

৮) সমস্ত সরকারী নথিপত্র যথা ভোটার কার্ড, রেশন কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স, আধার কার্ড, পাশপোর্ট, জন্ম-মৃত্যু সার্টিফিকেট প্রভৃতি যাবতীয় কাজকর্ম সম্পন্ন করখর একটা নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকবে, এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তর এই নির্দেশনা পালন করতে বাধ্য থাকবে

৯) অবৈধ, বেআইনি সব মাদক দ্রব্য, মদ ( দেশী বিদেশী ) র খুচরো বা পাইকারী দোকান গুলির উপর জিরো টলারেন্স নীতি লাগু হবে এবং লাইসেন্স প্রাপ্ত বা বৈধ পূননবীকৃত উদোক্তাদের যাবতীয় আবগারি নিয়মবিধি খুঁটিনাটি বিবেচনা করে ছাড়পত্র দেওয়া হবে।

১০) মাদক দমন শাখার ( নার্কোটিক ) অধিনস্থ জেলা ভিত্তিক এবং বিশেষ বাহিনী গঠন করা হবে যারা অপ্রপ্তবয়স্ক, যুবক, স্কুল-কলেজ পড়ুয়াদের মধ্যে বিভিন্ন মাদক জাত দ্রব্য পাচার বা বিস্তার রোধ করবে।

১১) সমস্ত সরকারী – বেসরকারী স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, আই.টি.আই., পলিটেকনিক, নার্সিংহোম, হসপিটাল – এর ৫ কিলোমিটার পরিসারে নির্ধারিত সীট/বেড এর ২৫% দুঃস্থ দের জন্য বরাদ্দ করতে হবে।

১২) পঞ্চায়েত, বিধানসভা, লোকসভা প্রতিটি নির্বাচন ক্ষেত্রে নির্বাচনী প্রতিযোগী কে নুন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতার অধিকারী হতে হবে।

১৩) সমস্ত ডোমেষ্টিক বিদ্যুৎ গ্রাহকদের বিদ্যুৎ বিল ( UNIT ) ৫০% হ্রাস করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি বদ্ধ হচ্ছি।

১৪) আমরা রান্নার গ্যাসের বর্তমান মূল্যের ৫০% করার অঙ্গীকার করছি।

১৫) পেট্রলিয়াম পন্যের বর্তমান মূল্যের কথা ভেবে রাজ্য সরকারের লিটার প্রতি ট্যাক্স কমানোর কথা ঘোষণা করছি।

১৬) কোনো শিল্প প্রতিষ্ঠান বা বৃহৎ সংস্থা তার C.S.R ( CORPORATE SOCIAL RESPONSIBILITY ) FUND এর অর্থ মূল্য সংশ্লিষ্ট সংস্থার উৎপাদন ক্ষেত্রের ৫ কিলোমিটার পরিসারের মধ্যে উন্নয়নমূলক কাজে ব্যাবহার করতে হবে। তবে এই অর্থরাশি সংশ্লিষ্ট সংস্কার সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত কোন স্বত্বাকে প্রদান করতে পারবে না।

১৭) C.S.R -প্রকল্প গুলি রূপায়ণে ১০ জনের তদারক কমিটি গঠন করা হবে, যাতে ২ জন রাজ্য সরকারের প্রতিনিধি, ৩ জন সংশ্লিষ্ট শিল্পের প্রতিনিধি, ১ জন পঞ্চায়েত কর্মী ও সর্বোপরি ৪ জন ঐ এলাকার ভোটার/ সাধারন নাগরিক যারা প্রকল্পের পুঙ্খানুপুঙ্খ সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করবে ও তার প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট জেলা কর্ত্তৃপক্ষকে জমা দেবে।

১৮) আমরা এক বিশেষ কমিটি গঠন করব যাতে সাধারণ নাগরিক ও যুক্ত থাকবে, যারা সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প দৃড়ভাবে বিশ্লেষণ করবে।

১৯) শহর ও গ্রামাঞ্চলে সুস্পষ্ট পাইপ লাইনের রূপরেখার সঙ্গে উপযুক্ত নিক্বাশন ব্যাবস্থা থাকবে। এতে পরিবেশ জীবাণুমুক্ত, পরিচ্ছন্ন থাকবে এবং এলাকার অবান্চিত বর্জিত সুষ্ঠুভাবে নিস্কাশিত হবে।

২০) পরিকাঠামো ও পরিষেবার গুনগত মানের বিভাগানুসারে সমস্ত শিক্ষা ও স্বাস্থ্য কেন্দ্রের পরিষেবা গুলির একটি নির্দিষ্ট মূল্যতালিকা সরকার বেঁধে দেবে এবং এই মূল্য তালিকার সর্বোচ্চ সীমা লঙ্ঘন না করে প্রতিষ্ঠানগুলি যথাযথ ভাবে পালন করতে বাধ্য থাকবে।

২১) আমরা এক বিশেষ আইনের প্রস্তাব আনবো যাতে ” এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ ” এ নথিভুক্ত বেকার যুবক যুবতীরা যারা অন্তত ৩ টি সরকারী চাকরীর পরীক্ষায় বসেছে ( নির্দিষ্ট বয়সসীমার মধ্যে ) তাদের ন্যুনতম মাসিক ভাতার ব্যাবস্থা করা অথবা বিশেষ নজরদারিতে তাদের কারীগরী প্রশিক্ষন দিয়ে প্রাইভেট কম্পানিতে কর্মসংস্থান করা বা বিশেষ ঋননীতিতে যোগ্য প্রার্থীদের উদ্যোগপতি করে তোলা যাতে বেকরত্ব সম্পূর্ণ রূপে বিলুপ্ত হয়।

২২) জনসেবায় নিযুক্ত সমস্ত কর্মচারীদের উপস্থিতির ক্ষেত্রে অবশ্যই শৃঙ্খলাপরায়ণ ভাবে নিয়মিত কর্তব্য পালন করতে হবে এবং নিয়ম ভঙ্গকারীর জন্য বিশেষ অনলাইন বা নালিশের ব্যাবস্থা করা হবে।

২৩) দূষণমুক্ত পরিবেশ ও জীব বৈচিত্র্য ভারসাম্য রক্ষার্থে তথা সবুজায়ন এর উদ্দেশ্যে বনদপ্তর বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহন করবে। এবং কোনো পরিকাঠামো গত প্রকল্প সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে অনুমতি পাবে না যা অরণ্য বিনাশ করবে।

২৪) খাদ্য ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পের জন্য এক কঠোর শাস্তিমূলক অইনবিধির প্রস্তাব রাখা হবে এবং ভূমিস্তরে বিশেষ উপভোক্তা কমিটি খাদ্যে ভেজাল, খাদ্যের গুনগত মান বা পরিমাণ সমস্ত কিছু নিয়মিত পরিদর্শন করবে।

২৫) মৎস্য ও প্রানীসম্পদ বিকাশ দপ্তর একধরনের ফলপ্রসু প্রকল্প বাস্তবায়িত করবে যা প্রকৃত জনহিতকর হবে এবং শাসকদল ঐ প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত কোনো সম্পদ বিনামূল্যে বিতরন করে ভোটবাক্সের ফায়দা তুলতে পারবে না।

২৬) সরকারী অধিনস্থ সমস্ত BLOOD BANK, ঔষধ দোকান,  স্বাস্থ্য সম্পর্কিত পরিসেবায় পর্যাপ্ত স্বাস্থকর্মী ২৪ ঘন্টাই জনসাধারণের উন্নত সেবায় উপলব্ধ থাকবে।

২৭) রাজ্যের সত্তোর্ধ নাগরিকদের এক বিশেষ কার্ডের মাধ্যমে সমস্ত রোগের যাবতীয় চিকিৎসা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে উপলব্ধ হবে।

২৮) সরকার একটি প্রকল্প শ্রবণ সূচনা করবে যাতে ষাটোর্ধ্ব বয়স্ক পিতা ও মাতার সেবা-যত্ন, দেখভালের জন্য ঐ পরিবারের প্রত্যেক বরিষ্ঠ ব্যাক্তি ২৫০০ টাকা ভাতা পাবে। তবে এই প্রকল্পে নিযুক্ত পরিদর্শক প্রত্যেক ত্রৈমাসিকে উক্ত পরিবার গুলিতে গিয়ে পরিদর্শন করবেন যে উনারা  কতখানি সন্মানের সঙ্গে সুস্থভাবে সুখী জীবন যাপন করছেন এবং পরিদর্শকের রিপোর্ট অনুসারে জেলা ভিত্তিক সব থেকে যোগ্য প্রিয় পরিবারটিকে বাৎসরিক এককালীন ২,০০,০০০ টাকা পুরস্কার মূল্য দিয়ে সন্মানিত করা হবে।

২৯) রাস্তাঘাটে অবাধ গোচারন করা গরু, ছাগল, মহিষ, হাঁস-মুরগী ইত্যাদি পশুপাখি যানজটে দুর্ঘটনার পরিস্থিতি তৈরী হয়, এক্ষেত্রে আমরা একটি কঠোর নিয়মবিধি তৈরী করবো যাতে হয় উক্ত পশু-পাখি গুলির পালক/পালিকা নিজ দায়িত্বে প্রতিপালন করুক নতুবা প্রানীসম্পদ বিকাশ দপ্তরে ঐ সকল অবৈধ প্রনীদের বাজেয়াপ্ত করবে যতক্ষন না পর্যন্ত প্রকৃত পালক/পালিকা উপযুক্ত প্রমাণ ও ক্ষতিপূরণ ( PENALTY ) দিয়ে ছাড়িয়ে নিয়ে যায়।

৩০) ভারতীয় সংবিধান বিষায়ক জ্ঞান, নাগরিকদের অধিকার ও সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রত্যেক ত্রৈমাসিক অন্তর সাধারণ নাগরিক ও প্রমুখ আইন বিশষজ্ঞ পরামর্শদাতা দের নিয়ে জেলা ভিত্তিক ভিন্ন ভিন্ন আলোচনা সভার ব্যবস্থা করব।

৩১) টেলিকম দপ্ত

Leave a Comment